পেশেন্ট নং ০০৮০ তাসলিমা আমাদের ( Munir Foundation এর ) এপ্লিকেশন ফর্ম এ লিখেছেন:
“আসসালামু আলাইকুম আমি তাসলিমা ফেরদৌস আমি একজন কিডনি রোগী আমার দুটি কিডনি নষ্ট। আমি আমার একমাত্র মেয়ের জন্য বেঁচে থাকতে চাই এই পৃথিবীতে। আমি চিকিৎসা করতে না পারলে আমার বাচ্চার কি হবে? আমার বাচ্চাটা মাত্র কথা বলা শিখেছে ওর মুখের দিকে তাকালে আমার সুস্থভাবে খুব বাঁচতে ইচ্ছে করে।
২০১৬ সালের ০১ অক্টোবর আমার একমাত্র মেয়ের জন্মের সময় অপারেশন এর সময় ডাক্তারের ভুল এবং চিকিৎসায় অবহেলার কারণে অধিক রক্ত করণ হয়ে আমার দুটি কিডনি নষ্ট হয়। একটানা তিন মাস আমি ICU লাইফ সাপোর্টে ভেন্টিলেটরে CCU,HDU থেকে চিকিৎসা নেই। এরপর ইন্ডিয়া CMC হসপিটাল গিয়ে চিকিৎসা নেই তবুও সুস্থ হইনি। দীর্ঘ দুই বছর ডায়ালাইসিস করেছি। দীর্ঘ দুই বছর ডায়ালাইসিস করার জন্যে এবং ভারত বাংলাদেশে চিকিৎসা করি লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে। এরপর দীর্ঘ দুই বছরের ডায়ালাইসিস জীবনের অসহনীয় কষ্ট ভোগ করার পর নিজের জায়গা জমি সোনা যা ছিল সব বিক্রি করে এবং বিভিন্ন মানুষ ও আত্মীয় স্বজনের সাহায্য নিয়ে ২০১৮ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ভারতের দিল্লী ফরিদাবাদে অবস্থিত Asian Institute Of Medical Science (AIMS) হসপিটাল থেকে একটি কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট করি। কিডনি ট্যান্সপ্লান্টের পরেই সাথে সাথে ডায়বেটিস কোলষ্টেরল, প্রোটিন লিকেজ দেখা দেয়। যার জন্য ট্রান্সপ্ল্যান্ট কিডনির বিভিন্ন জটিলতা দেখা দেয়।
সেজন্য ট্যান্সপ্লান্ট কিডনি ঝুকির মুখে পড়ে। সে জন্য ঔষধের ডোজও বেশি লাগে প্রতিমাসে ১৫ হাজার টাকার ঔষধ খেতে হয়। কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্টের ঔষধ ইন্ডিয়ান খেতো হয় ডাক্তারের কথামত আর বাংলাদেশ থেকে ডায়বেটিস উচ্চ রক্তচাপ, ক্লোস্টরেল, আযরন ঔষধ, ইনজেকশন নিতে হয় সবমিলিয়ে প্রতিমাসে ১৫ হাজার টাকার ঔষধ আরও ৫/৭ হাজার টাকা লাগে রক্ত পরীক্ষা ও আয়রন ইনজেকশনে কারণ আমার হিমোগ্লোবিন সবসময় কম থাকে।
কিন্তু ভাগ্যের নির্মমতায় প্রোটিন যাওয়া অতিরিক্ত হওয়ার কারণে আমার ইন্ডিয়ান ডাক্তারের পরামর্শে আমি ট্যান্সপ্লান্ট কিডনি বায়োপসি করি ঢাকা কিডনি ফাউন্ডেশন থেকে ২০২১ সালের ০১ জুলাই বায়োপসি রিপোর্টে আসে যে আমার কিডনি রিজেকশন করের। তখন ইন্ডিয়ান ডাক্তারের সাথে কথা বলি আমার ডাক্তার Reetesh Sharma আমাকে দিল্লি Asian Institute Of Medical Science (AIMS)হসপিটাল গিয়ে কিডনি রিজেকশন প্রতিরোধ ও রিজেকশন স্লো করার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিন। কারন আমি দিল্লি Asian Institute Of Medical Science (AIMS) হসপিটাল কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট করেছি। কিন্তু টাকার জন্য বর্তমানে ঔষধ খরচই চালাতে পাররাম না। সেখানে ইন্ডিয়া কিভাবে যাবো।
আমি আমার পরিবারে পক্ষে চিকিৎসা খরচ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ইতোমধ্যে আমার পরিবার লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে চিকিৎসার জন্য বর্তমানে নিঃস্ব হয়ে নিরুপায় হয়ে আপনাদের সাহায্য কামনা করিছি।আমার কিডনি রিজেকশন প্রতিরোধের চিকিৎসা নেওয়ার জন্য ইন্ডিয়া দিল্লি যাওয়া আসার খরচ এবং হসপিটাল ভর্তি হয়ে বায়োপসি অপারেশন করতে ও তিন মাসের ঔষধের জন্য ৬ লক্ষ টাকা দরকার। এই ৬ লক্ষ টাকা আমি আপনাদের মাধ্যমে মানুষ জনের কাছে সাহায্য চাইরাম।
আমি আশা করবো আমার ছোট বাচ্চার জন্য হলেও আপনারা আমার সাহায্যে এগিয়ে আসবেন।”
পেশেন্ট এর এড্রেস:
বর্তমান ঠিকানাঃ ১৬/৩ ব্লক সুরমা, হাওলাদার পাড়া, আখালিয়া, সিলেট ৩১০০। স্থায়ী ঠিকানাঃগ্রাঁমঃসাউদের গাঁও,পোস্টঃজাউয়া বাজার,৩১০০ ছাতক,সুনামগঞ্জ।
কেউ যদি সরাসরি পেশেন্ট কে ভিজিট করতে চান, অথবা কথা বলতে চান, আমাদের জানাবেন প্লিজ।
রাসূলুল্লাহ (সা.) আরও এরশাদ করেন, ‘মুমিনরা পারস্পরিক ভালোবাসা ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে এক দেহের মতো। দেহের কোনো অঙ্গ আঘাতপ্রাপ্ত হলে পুরো দেহ সে ব্যথা অনুভব করে।’ (বোখারি, হাদিস : ৬০১১)
রাসূলুল্লাহ (সা.) আরও বলেন, ‘আল্লাহতায়ালা বান্দার সাহায্যে ততক্ষণ থাকেন, যতক্ষণ সে অপর ভাইয়ের সাহায্যে থাকে।’ (মুসলিম, হাদিস : ২৩১৪)।
পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘তাদের (বিত্তশালী) ধনসম্পদে অভাবগ্রস্ত ও বঞ্চিতদের অধিকার রয়েছে।’ (সূরা জারিয়াত, আয়াত : ১৯)।
ডকুমেন্টস এবং যেকোন তথ্যের জন্যে এই গ্রুপের পোষ্ট ফলো করতে পারেন:
সাহায্য পাঠাতে পারেন মুনীর ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে।
Bkash Personal:
01853 325153
Bank:
Munir Foundation
20502210203678017
Islami Bank Bangladesh Limited
Sitakund Branch.
ব্যাংক বা বিকাশে পাঠানোর সময় রেফারেন্স এ লিখুন : Taslima অথবা ০০৮০

Leave a Reply