প্রায়শই একটা শুনা হয় “অসুস্থ হলে সুস্থতার নিয়ামত সম্পর্কে। কথাটা শুনতে শুনতে এভারেজ ও সস্তা মনে হলেও প্রায়োগিক জীবনে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা। স্কুলজীবনের পাঠ্যবইয়ে “স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল” শিরোনামে ভাব-সম্প্রসারনটা সবার পড়া হয়েছে। বুঝে-নাবুঝে জীবনের প্রারম্ভে যাকিছু শেখা হয় বয়সের এক-একটি ধাপে পা রাখতে রাখতে এই ছোটছোট অধ্যায়গুলো জীবনের অবিচ্ছেদ্য সত্য হয়ে আমাদের সামনে এসে দাড়ায়। আমরা বুঝি এটি জীবন বিচ্ছিন্ন নয়।
মানুষের বাহ্যিক সুন্দর মসৃণ চামড়ার আড়ালে কি জটিল মরণব্যাধি ঘাঁটি গেড়ে বসে আছে আমরা কেউই তা জানিনা। যতক্ষণ জানা হয়না ততক্ষণ পর্যন্ত মানুষ পৃথিবীর সুখীতম প্রাণী। এত রুপ, রং, কোলাহল ও আভিজাত্য অন্যকোন সৃষ্টির মাঝে নেই। কিন্তু যখনই আমাদের শরীরে কোন রোগের উপস্থিতি টের পেতে শুরু করি তখন থেকে শুরু হয় নরক যন্ত্রণা ও বাড়তে থাকা দীর্ঘশ্বাসের ঘনত্ব। কেউ সেরে ওঠে, কেউ হায়াতের চূড়ান্ত পরিণতি ডেকে আনে।
সৃষ্টিলগ্ন থেকে আজ অবধি বেঁচে থাকাই মানুষের একমাত্র আরাধ্য অভিপ্রায়। তায় রোগমুক্তি ভুক্তভোগীর কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে তৃপ্তিদায়ক অনুভূতি। রোগী স্বজন চিকিৎসক কিংবা চিকিৎসা সেবায় যারা সাহায্য সহযোগিতা করেছেন তাদের কাছেও এই সফলতার আনন্দ বর্ণনাতীত।
খুব অল্প বয়সে জীবনাবসানের প্রতিধ্বনি শুনতে পাওয়া আমাদের কক্সবাজারের পেশেন্ট সুলতানা রাজিয়া এখন অনেকটাই সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেছে আলহামদুলিল্লাহ। বিবাহের চার বছরের মাথায় তার কিডনিতে ইনফেকশন শনাক্ত হয়। ধারাবাহিক চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকরা ৯০ হাজার টাকার একটি অংক ধার্য্য করে দিলে আমরা তার হাতে ৭৩ হাজার টাকা তুলে দিতে সক্ষম হয়েছি।
স্বামী সংসার ও একটি কণ্যাসন্তান নিয়ে সুলতানা রাজিয়ার আনন্দহিল্লোল দাম্পত্য জীবন খুব বেশিদিন অতিবাহিত নাহতেই তার জীবনে যে অনিশ্চয়তা নেমে এসেছিলো, সেটা অনেকটাই কেটে গেছে। মুনির ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তা আন্তরিক প্রচেষ্টা ও আল্লাহর একান্ত রহমতে তিনি এখন ভালো আছেন। আমরা তার সম্পূর্ণ সুস্থতার জন্য দোয়া করি।






