চিকিৎসা : পায়ের অপারেশন, মোট প্রদান: ১১৭,৫০০/-
একদিন সকালে ঊঠে যদি দেখেন আপনার একটা পা অকেজো হয়ে আছে, অথবা আপনার বাচ্চার পায়ের হাঁটু উল্টোদিকে, আপনি কি করবেন?
ঠিক এরকম সমস্যাতেই পড়েছিলেন সাতকানিয়ার আহমদ নবী। পেশায় চায়ের দোকানদার এই মানুষটির ছেলে শিশু পায়ের জটিলতা নিয়ে জন্মগ্রহন করেছে।
রোগের নাম congenital varus deformity of lower limb। বা সহজভাবে বলতে গেলে বেবি আনাস পায়ের হাটুর মালা উল্টোদিকে নিয়ে জন্মগ্রহন করেছে। যার ফলে সে হাঁটু বাঁকাতে অক্ষম। ডাক্তারের এজাম্পশান অনুযায়ী সার্জারীর মাধ্যমে বাচ্চার পা ঠিক করা সম্ভব। পর্যাপ্ত ডিস্কাউন্ট দেয়ার পরেও দেড় লক্ষ টাকার বেশি প্রয়োজন। বাচ্চার বয়স এখন দেড় বছর, বয়স বাড়ার সাথে সাথে সমাধান জটিল হয়ে যাবে।
২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে আমাদেরই একজন সদস্য কামরুল হাসান রিয়াদ এর কাছে আনাসের বাবা আসেন তার সন্তানের চিকিৎসা সহায়তার জন্যে। আমরা দ্রুততম সময়ে আনাসের চিকিৎসার কাগজপত্র দেখি, এবং ফান্ডরেইজিং শুরু করি।
মুনীর ফাউন্ডেশন এর এই প্রচেষ্টায় ফান্ডরেইজিং এ পাশে দাড়ায় ফেসবুক ভিত্তিক “পর্দা-দ্যা সাইন অফ মডেষ্টি”। যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে যোগাড় করা ১১৭,৫০০/-। এবং এই টাকা আমরা সেপ্টেম্বর এর ২২ তারিখ তুলে দেই আনাসের বাবার হাতে!
আনাসের পায়ে সার্জারী হয়। সার্জারী শেষে তার পা ৫০% ঠিক হয়েছে। আরো একটি সার্জারী সামনের দিনগুলোতে দরকার হবে। এরপরেই হয়তো আনাসের পা পুরোপুরি ঠিক হবে ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ আনাস কে সুস্থ করুন। সকল দাতার অবদান কে কবুল করুন। ভিডিওতে দেখুন সহায়তা পাওয়ার পর আনাসের বাবার অনূভুতি।






