নিম্ম মধ্যবিত্ত পরিবারে ৪ জন সদস্য। ফারিহার বাবার চাকরির পয়সায় ভালই চলছিল দিনকাল। হঠাৎই নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। ফারিহার হালকা জ্বর আর বোন পেইন দেখা দেয়। প্রায় ১২ থেকে ১৩ দিন। শুরু হয় নানা রকম টেস্ট। একরকম দৌড়াদৌড়ি; শতগুণ বেড়ে যায় বোন ব্যাথা যা ভীষণ যন্ত্রণার অসহনীয়।
সব রিপোর্টে আসে ফারিহার ব্লাড ক্যান্সার। ক্যান্সার কথাটি শুনে একজন স্বাভাবিক মানুষ অস্বাভাবিক হয়ে যাবে এটি নতুন কিছু নয়। যেখানে জীবন মরণের খেলা। এ খেলায় সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসায় পারে একটি ফুলের মত জীবনকে আরও ফুলেল করতে। ফারিহার বাবা একা মানুষ চাকরির পাশাপাশি মেয়ের জন্য ছুটাছুটি খুব পেরেশান।
শুরু হয় ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসা কেমোথেরাপি পর পর ৭ টা। ভিন্ন ভিন্ন টেস্ট। এক পর্যায়ে ডাক্তার জানালেন কেমোথেরাপিতে ফারিহার কোন কাজ করছে না। ওর বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করানো জরুরি ।
.
চিকিৎসা খরচ শুনে বাবা ভেঙে পড়েন। বাবা’তো সন্তানের প্রতি দ্বায়বদ্ধতা রয়েছে। সে দিক থেকে তিনি মনে সাহস নিয়ে সব হতাশাকে দূরে ঠেলে মেয়ের জন্য উঠে দাঁড়ালেন ।যতকিছুই হোক মেয়েকে সুস্থ দেখতে চাই। এতে আমার জীবনও যদি চলে যায় আফসোস হবে না। ফারিহার চিকিৎসায় এ যাবত ৬০ লাখ রুপি খরচ যা পরিবার ও আত্মীয় স্বজন মিলে বহন করেছেন। এখনো প্রয়োজন ৬ মাসে ৬ টা ‘ মেইনটেনেন্স কেমো’ যার সাপোর্টিং মেডিসিনসহ প্রতিটি কেমো’র খরচ ৩ লাখ রুপি। একটা নেওয়া হয়েছে বাকি ৫ টি প্রক্রিয়াধীন।
.
এরপর তার পরিবার সিদ্ধান্ত নেই তাহলে ইন্ডিয়া নিয়ে গিয়ে আরেকবার চেষ্টা করেই দেখা যাক তারা কি বলেন। পাসপোর্ট ভিসা রেডি করে নিয়ে যায় ইন্ডিয়ার ইকো ক্যান্সার হসপিটালে সেখানে ডাক্তার জানায় ফারিহার চিকিৎসা সম্ভব্যব্যয় হতে পারে প্রায় ৫০ লাখ রুপি। এর মাঝে কেমোথেরাপিতেই ৮ লাখ ১০ হাজার রুপি। বাকিটা ট্রান্সপ্লান্ট করার সময় দিতে হবে। কেমোথেরাপি শেষ ।
.
ইতিমধ্যে, হসপিটাল বিল ও কেমোথেরাপি সহ ১৮ লাখ খরচ হয়েছে।এখন ট্রান্সপ্লান্টের টাকা যোগাড় করতেই হিমশিম খাচ্ছে ফারিহার বাবা এবং তাদের আছে এখন ১০ লাখ রুপি। বাকি থাকে আরও ২০ থেকে ২৫ লাখ রুপি। যা যোগাড় করা সাধ্যের বাইরে। তাই সবার কাছে আবেদন করছি। ক্যান্সার যোদ্ধা দশম শ্রেণির একজন মেধাবী ছাত্রী শেষ মুহূর্তে নতুন দিগন্তের স্বপ্ন দেখা একজন নবীনকে নীরবে নিভৃতে অসহায় হয়ে বঞ্চিত অবস্থায় হারাতে পারি না। আমরা ফারিহার জন্য নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামর্থনুযায় কিছু একটা করি। আমাদের সামান্য অর্থে বেঁচে যেতে পারে তার জীবন। আসুন সবাই এগিয়ে আসি।
.
মহানবী (সা.) আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি দুনিয়ায় অপরের একটি প্রয়োজন মিটিয়ে দেবে, পরকালে আল্লাহ তার ১০০ প্রয়োজন পূরণ করে দেবেন এবং বান্দার দুঃখ-দুর্দশায় কেউ সহযোগিতার হাত বাড়ালে আল্লাহ তার প্রতি করুণার দৃষ্টি দেন। ‘ (মুসলিম, হাদিস : ২৫৬৬)।
সাহায্য পাঠাতেঃ
Bkash Personal:
01853 325153
Nagad, Rocket.
01738 12 51 07
.
Bank:
Munir Foundation
Islami Bank Bangladesh Limited
20502210203678017
.
রেফারেন্সঃ Fariha Or 119

Leave a Reply