
একজন মায়ের বাঁচার আকুতি,দুটি শিশু ফিরে পাবে তার মা কে!
সীতাকুণ্ডের বারআউলিয়ায় বিথুল সাহার সংসারটি ছিল খুব সাধারণ কিন্তু ভালোবাসায় ভরা। সামান্য চাকুরীতে যা আয় হতো তা দিয়েই চলত দুই ছেলে আর স্ত্রী রুপা সাহাকে নিয়ে ছোট এই পরিবার। অভাব ছিল, কিন্তু ছিল একসাথে থাকার শান্তি। সেই শান্ত জীবনে হঠাৎ করেই নেমে আসে ভয়াবহ বিপর্যয় রুপা সাহা মরণব্যাধি ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। একটি শব্দই বদলে দেয় পুরো পরিবারের জীবন।
রোগ ধরা পড়ার পর থেকে বিথুল সাহা শুরু করেন অসম এক যুদ্ধ। তার সামান্য আয়ে, ধার-কর্জ করে, পরিচিতদের কাছ থেকে সাহায্য নিয়ে তিনি স্ত্রীকে বাঁচাতে যা করার সবই করেছেন। এ পর্যন্ত রুপা সাহার ৯টি কেমোথেরাপি সম্পন্ন হয়েছে এবং একটি অপারেশনও করা হয়েছে। প্রতিটি কেমোথেরাপি ছিল যন্ত্রণার, প্রতিটি রাত ছিল অনিশ্চয়তার। তবুও বিথুল সাহা আশা ছাড়েননি, কারণ তার চোখের সামনে দুইটি শিশু যাদের এখনো মায়ের প্রয়োজন।
চিকিৎসকদের মতে, রুপা সাহাকে বাঁচাতে হলে আরও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে। সামনে রয়েছে আরও ৯টি কেমোথেরাপি, যার প্রতিটির খরচ ৩৫ হাজার টাকা। একজন অসহায় পরিবারের পক্ষে এই বিপুল অর্থ জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব। আজ বিথুল সাহা একেবারে নিঃস্ব না আছে সঞ্চয়, না আছে নতুন করে ধার নেওয়ার সামর্থ্য। রুপা সাহা একজন ক্যান্সার রোগী নন, তিনি দুই ছেলের মা। তার অসুস্থ শরীরের মাঝেও সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে বেঁচে থাকার চেষ্টা করেন। সেই দুই শিশুর চোখে আজ একটাই ভয় মাকে হারানোর ভয়। তাদের শৈশবের সবচেয়ে বড় চাওয়া, মায়ের হাতটা শক্ত করে ধরে রাখা।
এই পরিবারটি আজ আমাদের সবার সহায়তার দিকে তাকিয়ে আছে। আমরা যদি সবাই মিলে একটু একটু করে পাশে দাঁড়াই, তাহলে হয়তো রুপা সাহার চিকিৎসা চলতে পারবে, একটি মা ফিরে পাবে তার সন্তানদের কাছে, আর দুইটি শিশু পাবে তাদের মায়ের নিরাপদ আশ্রয়। আজ আপনার সামান্য সহযোগিতাই রুপা সাহার সুস্থ হয়ে উঠার মাধ্যম।
অনুদান পাঠানোর সময় রেফারেন্স হিসেবে লিখুন 258 বা Rupa.






