
৫৩ বছর বয়সী মো. সেলিম উদ্দিন, যিনি সারাজীবন ঘাম ঝরিয়ে দিনমজুরির করে নিজের পেট চালিয়েছেন, আজ মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।
একসময় যিনি ছিলেন কর্মঠ, পরিশ্রমী, পরিবারের জন্য ছুটে চলা একজন মানুষ—আজ তিনি এক গভীর নিঃসঙ্গতা আর অসহায়তার মধ্যে বেঁচে আছেন।
সেলিম উদ্দিন এখন খাদ্যনালী ক্যান্সারে আক্রান্ত।
চিকিৎসকরা বলছেন, কেমোথেরাপি ছাড়া বাঁচার কোনো উপায় নেই।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে—কোথায় পাবেন তিনি এই ব্যয়বহুল চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ?
নিজ সন্তান নেই, আত্মীয়-স্বজনের সহানুভূতি সীমিত, আর কাজ করার শারীরিক শক্তিও নেই।
চিকিৎসা চলছে, কিন্তু প্রতিটি দিন তার কাছে যেন পাহাড়সম।
প্রতিটি কেমোথেরাপির সেশন যেন জীবনকে একটু বাড়িয়ে নেওয়ার যুদ্ধ।
আজ সেলিম উদ্দিন আমাদের কারো বাবা হতে পারতেন, কারো চাচা, কারো ভাই।
একজন মানুষ যখন কেবল টাকার অভাবে ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়তখন কি আমরা মানুষ হিসেবে চুপ করে থাকতে পারি?
আমরা যদি প্রত্যেকে সামান্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিই, হয়তো সেলিম উদ্দিন আবারও নতুন করে বাঁচার সুযোগ পাবেন।
এই যুদ্ধটা তিনি একা লড়তে পারবেন না। দরকার আমাদের সবার পাশে দাঁড়ানো।
আসুন, মো. সেলিম উদ্দিনের জীবনের গল্পটা বদলে দিই।
একসাথে মিলেই হই তাঁর বেঁচে থাকার কারণ।
অনুদান পাঠানোর সময় রেফারেন্স হিসেবে লিখুন 237 বা Selim






